মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এসএসসির চূড়ান্ত সূচি প্রকাশ, আছে যেসব নির্দেশনা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে, দুর্গাপুরে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ দুর্গাপুর ছাত্রদলের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল স্কুলের চারপাশ এক কিলোমিটার পর্যন্ত কীটনাশকমুক্ত রাখার দাবী শিক্ষকদের স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দুর্গাপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসুচী মন্ত্রিসভায় যোগ দিচ্ছেন দুজন, কে পেলেন কোন মন্ত্রণালয়? দুর্গাপুরে নিজ ঘরেই মাদক সেবনের আসর, ৩ জনের সাজা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ দুর্গাপুরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান, দেড় লাখ টাকা জরিমানা

পাইপলাইনে তেল খালাসের যুগে বাংলাদেশ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট : রবিবার, ২ জুলাই, ২০২৩
  • ৩৪৪ পঠিত

দিগন্ত ডেক্স : সৌদি আরব থেকে আনা ৮২ হাজার মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল গভীর বঙ্গোপসাগরে পাইপলাইনের মাধ্যমে পরীক্ষামূলক তেল খালাসের মধ্য দিয়ে একটি অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছে বাংলাদেশ। রোববার (২ জুলাই) দুপুরে পাইপলাইনে তেল খালাস কার্যক্রম শুরু হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল জানান, অনেক উন্নত দেশকে টেক্কা দিয়ে গভীর সাগর থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল খালাসের যুগে প্রবেশ করল বাংলাদেশ। সৌদি আরব থেকে আনা ৮২ হাজার মেট্রিক টন ক্রুড অয়েলের পরীক্ষামূলক খালাস শুরু হয়েছে গভীর বঙ্গোপসাগরে।

তিনি আরও জানান, ১১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইন দিয়ে এই তেল আসবে চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারীতে। ৮ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পের কারণে তেল খালাসের সিস্টেম লস ও খরচ কমার পাশাপাশি সময় ২৫ দিন কমে মাত্র ২ দিনে নেমে আসবে।

দেশের একমাত্র রাষ্ট্রয়াত্ত প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধন করতে সক্ষম। সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং উইথ ডাবল পাইপলাইন (এসপিএম) প্রকল্প প্রতিষ্ঠানটির দ্বিতীয় ইউনিট। এটি চালু হলে পরিশোধন ক্ষমতা ৪৫ লাখ টনে উন্নীত হবে।

এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে গভীর সাগর থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার পাইপলাইন সাগরে নোঙর করা জাহাজ থেকে মহেশখালীর স্টোরেজ ট্যাংকে তেল নেয়া হবে। পাইপলাইন কমিশনিং করার পর সেখানে থাকা হেজ, সার্কিট বাল্ব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এরপর স্টোরেজ থেকে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় ইস্টার্ন রিফাইনারি পর্যন্ত পাইপলাইন কমিশনিং করা হবে। প্রথমে ক্রড অয়েল ও পরে ডিজেলে পাইপলাইন কমিশনিং করা হবে।

এর আগে ২০১৫ সালে পাইপলাইন বসানোর প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়। মোট চার হাজার ৯৩৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকায় ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ করার কথা থাকলেও; ইতোমধ্যেই প্রকল্পের মেয়াদ তিনবার বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর সঙ্গে সঙ্গে ব্যয়ও বেড়ে সাত হাজার ১২৫ কোটি টাকায় ঠেকেছে। এর মধ্যে চার হাজার ৬৮৮ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা দিচ্ছে চীন সরকার।

এ ছাড়া বিপিসি এক হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা এবং বাংলাদেশ সরকার ৬০১ কোটি টাকা দিচ্ছে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে। প্রকল্পের অধীনে এক সেট এসপিএম-পিএলইএম, একটি ভাসমান বয়া, ২২০ কিলোমিটার পাইপলাইন, এর মধ্যে ১৪৬ কিলোমিটার সাগরের তলদেশ দিয়ে এবং ৭৪ কিলোমিটার পাইপলাইন উপকূল দিয়ে, দুই লাখ ৮৮ হাজার ঘনমিটারের ছয়টি স্টোরেজ ট্যাংক, তিনটি ব্লক ভালব স্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের আগস্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এসপিএম প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
© All rights reserved © 2023 digantabangla24.com