শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন

নেত্রকোনায় জীব বৈচিত্র নিয়ে কর্মশালা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৩
  • ১০৬ পঠিত

পার্থ প্রতিম সরকার, নেত্রকোনা থেকে : দিন দিন কমছে প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, হারিয়ে যাচ্ছে জলাভূমি, নদী, হাওর, ফল, ফুল, পাখি, লতাপাতা, বন্যপ্রান্,ি ধান, বীজ, মাছ, মানুষের পেশা, ভাষা, সংস্কৃতি, প্রাকৃতিক খাদ্যসহ প্রকৃতির নানা অনুষঙ্গ। প্রকৃতি থেকে আমরা দূরে সরে যাচ্ছি। যতই দুরে সরে যাচ্ছি ততই আমরা বিপন্ন হয়ে সেই সাথে সংকটেও পড়ছি।

বারসিক নেত্রকোণা অঞ্চলের আয়োজনে বারসিক নেত্রকোণা রিসোর্স সেন্টার আটপাড়া রামেশ্বরপুরে দিনব্যাপী ‘‘বৈচিত্র্যতাই সুন্দর-বৈচিত্র্যতাই উন্নয়ন’’ এই প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত হলো প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সুরক্ষায় যুবদের ভূমিকা শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা। কলামাকান্দা, নেত্রকোনা সদর, মদন, আটপাড়া উপজেলার অক্সিজেন যুবসংগঠন, ফুলপাখি কিশোরী সংগঠন, রক্তের বন্ধন যুবসংগঠন, অগ্রযাত্রা কিশোরী সংগঠন, ধান-শালিক-নদী হাওর যুবসংগঠন, শিকড় যুব সংগঠন, দিয়ারা যুবসংগঠন, প্রত্যাশা কিশোরী সংগঠন, উদয় যুব সংগঠন, উচিতপুর সমাজকল্যানযুব সংগঠন, কলমাকান্দা সম্মিলিত যুবসমাজ, কাইলাটি যুব সংগঠনসহ ২১টি সংগঠনের ৩০ জন যুব এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহন করেন। কর্মশালা উদ্বোধন করেন নেত্রকোনা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জনাব বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস। যুবদের আগ্রহের ভিত্তিতে তিনি প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য বিষয়ে একটি সেশন পরিচালনা করেন। প্রশিক্ষণে মূল প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বারসিক‘র সহযোগি আঞ্চলিক সমন্বয়কারী শংকর ¤্রং।

নেত্রকোণা সম্মিলিত যুবসমাজের সদস্য অনাবিলা সরকারের সঞ্চালনায়, রনি খান ও পার্থ প্রতিম সরকার এর সহায়তায় কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বারসিক নেত্রকোনা অঞ্চলের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী অহিদুর রহমান। সংগঠনে যুবরা নিজ নিজ সংগঠনের কার্যক্রম তুলে ধরে পরিচয় প্রদান শেষে কর্মশালায় জনসংগঠনের ভূমিকা, সংগঠন, সংগঠনের কাজ, কার্যকরী সংগঠন, বৈচিত্র্য, প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, বিলুপ্তি ও সুরক্ষা, যুবদের করণীয়, নেত্রকোণার আঙ্গিকে সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যের বর্তমান অবস্থার বিভিন্ন দিক গুলো তুলে ধরা হয়।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জনাব বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস (শিক্ষা ও আইসিটি) বলেন, “আমাদের জীবনের জন্য, টিকে থাকার থাকতে হলে প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য রক্ষা করা জরুরি। একটি প্রজাতি হারিয়ে গেলে নতুন করে আর ফিরে পাওয়া যাবেনা। আমরা বিলুপ্ত করতে পারি কিন্তু নতুন করে ফিরিয়ে আনতে পারবোনা। প্রত্যেকেই যার যার অবস্থান থেকে সুন্দর চিন্তা চেতনার মাধ্যমে নিজে সুস্থ থেকে সুস্থ মন নিয়ে একটি ন্যায্য সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যেতে হবে। যুবদের উপর অনেক দায়িত্ব রয়েছে আগামী সুন্দর পৃথিবীর গড়ে তুলতে যুবদেরকে সবুজ মনের চিন্তা নিয়ে পরিশ্রম করে যেতে হবে। পরিশেষে আগামি দিনের একটি সুন্দর পরিকল্পনা প্রণয়ন ও অংশগ্রহনকারীদের পরিবেশনায় এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে কর্মশালার সমাপ্তি হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
© All rights reserved © 2023 digantabangla24.com
Design & Developed BY Purbakantho.Com