দিগন্ত ডেক্স : মোবাইলে অব্যবহৃত ডাটার মেয়াদ আনলিমিটেড করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন।
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীমের এক প্রশ্নের জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তিমন্ত্রীর পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা জানান।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের প্রায় ১১ কোটি ৩৫ লাখ মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহকের ইন্টারনেট ব্যবহারের প্যাটার্ন এবং চাহিদা ভিন্ন ভিন্ন। এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে অপারেটরদের প্যাকেজ ডিজাইন করতে হয়।
মন্ত্রী আরো বলেন, মোবাইল ইন্টারনেট ডাটার মেয়াদ শেষে অব্যবহৃত ডাটা বাতিল হয়ে যাওয়ার বিষয়টি সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়েছে এবং গ্রাহক স্বার্থ সুরক্ষায় এ সমস্যা নিরসনকল্পে সরকার সক্রিয়ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে।
তিনি জানান, উচ্চ স্থাপন ব্যয় ও পরিচালন ব্যয়সম্পন্ন মোবাইল ইন্টারনেট জনগণের ক্রয়সীমার মধ্যে রাখতে অপারেটররা মেয়াদভিত্তিক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্যাকেজ আকারে মোবাইল ইন্টারনেটসেবা দেয়। যাতে গ্রাহক তার চাহিদা অনুসারে ইন্টারনেটসেবা উপভোগ করতে পারে। এ ক্ষেত্রে মূল্যমান নির্ধারণে ভলিউমের সঙ্গে মেয়াদটিও গুরুত্বপূর্ণ।
মোবাইল ইন্টারনেটের মেয়াদ রাখা শুধুই ব্যাবসায়িক বিষয় নয়; এর পেছনে টেকনিক্যাল, অর্থনৈতিক, নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্টসহ তিনটি বিষয় কাজ করে। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই মোবাইল ইন্টারনেটের মেয়াদভিত্তিক প্যাকেজ প্রচলিত।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিটিআরসি থেকে কোনো প্যাকেজের মেয়াদপূর্তির আগে একই ডাটা প্যাকেজ ক্রয় কিংবা অটো রিনিউ করা হলে অব্যবহৃত ডাটা ক্যারি ফরওয়ার্ডের বিধান রয়েছে। ফলে গ্রাহকের মূল্যবান ডাটা হারানোর ভয় থাকে না।
এ ছাড়া বিটিআরসির নির্দেশনাক্রমে সব অপারেটরের সুদীর্ঘ মেয়াদের (১০ বছর) ডাটা প্যাকেজ রয়েছে, যা একরূপ আনলিমিটেড মেয়াদেরই নামান্তর।
Leave a Reply