নিজস্ব প্রতিবেদক : সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে রাজাই সীমান্ত গ্রামে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী হাজং সম্প্রদায়ের এক হাজং গৃহবধুকে ধর্মণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (২২ মার্চ) বেলা তিনটার দিকে বসতঘরে ডুকে জ¦রে আক্রান্ত ঘুমন্ত অবস্থায় ওই হাজং গৃহবধুকে ধর্মণ চেষ্টার ঘটনাটি ঘটলেও স্থানীয় সালিসীদের বাঁধার মুখে ভিকটিমের পরিবার থানায় আইনি সহায়তা নিতে পারছেন না। ধর্ষণ চেষ্টায় অভিযুক্তর নাম, নুরুল ইসলাম ওরফে নুরুল (৩৫)। সে তাহিরপুরের উওর বড়দল ইউনিয়নের ছড়ারপাড় গ্রামের জম্মত আলীর ছেলে
সোমবার (২৩ মার্চ) বেলা পৌণে চার দিকে তাহিরপুরের রাজাই সীমান্ত গ্রামের ধর্ষণ চেষ্টার শিকার ভিকটিম, তার পরিবার ও সীমান্ত গ্রামের মানুষজন যুগান্তরকে জানান, রবিবার (২২ মার্চ) রাজাই সীমান্ত গ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী হাজং সম্প্রদায়ের জ্বরে আক্রান্ত এক হাজং গৃহবধু নিজ করেই ঘুমন্ত ছিলেন। পার্শ্ববর্তী ছড়ারপাড় গ্রামের জম্মত আলীর ছেলে ওই গৃহবধুর ঘরে ডুকে জোর পূর্বক বিবস্ত্র করে জ¦রে আক্রান্ত গৃহবধুকে ধর্ষণ চেষ্টা চালায়। ওই গৃহবধুর ঘুম ভেঙ্গে গেলে তিনি ধর্ষণ চেষ্টাকারির কবল থেকে রক্ষা পেতে চিৎকার ও কান্নাকাটি করতে থাকেন।
ওই গৃহবধুর চিৎকার ও কান্নাকাটি শুনে সীমান্ত গ্রামবাসী এগিয়ে এসে নুরুল ইসলামকে মারধর করে বেঁধে রাখেন। খবর পেয়ে পিতা জম্মত আলী, তার পরিবারের লোকজন সহ স্থানীয় সালিসীদের নিয়ে এসে কৌশলে নুরুল ইসলামকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান। এরপর ভিকটিম গৃহবধু , তার পরিবারের সদস্যদের ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনাটি থানায় আইনি সহায়তা না নিতে বাঁধা প্রদান করেন স্থানীয় সালিসীগণ।
সোমবার (২৩ মার্চ) বিকেলে উপজেলার ছড়ারপাড় গ্রামের জম্মত আলীর ছেলে অভিযুক্ত নুরুল ইসলামের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি প্রথমে বলেন, এ ধরণের কোন ঘটনাই ঘটেনি।
ঘটনা পরবর্তী সময়ে হাজং সীমান্ত গ্রামে তাকে বেঁধে রাখা,পরিবার ও সালিসীগণের মাধ্যমে তাকে ছাড়িয়ে আনার বিষয়টি অবহিত করে ফের বক্তব্য জানতে চাইলে নুরুল ইসলাম বললেন, বিষয়টি সালিসীগণ মিমাংসা করার দায়িত্ব নিয়েছেন।
Leave a Reply