মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন

এক ট্রলারে ধরা পড়ল ৬৫ মণ ইলিশ, বিক্রি ৪০ লাখে

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট : সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫
  • ২১০ পঠিত

ডেস্ক নিউজ : বঙ্গোপসাগর থেকে ৬৫ মণ ইলিশ মাছ নিয়ে মৎস্য বন্দুর মহিপুরের আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে এসেছে একটি মাছ ধরার ট্রলার। নিলামে মাছগুলো বিক্রি হয় ৩৯ লাখ ৬০ হাজার ১৪০ টাকা টাকায়।

রোববার (১৩ জুলাই) দুপুরে এসব মাছ আলীপুরে মেসার্স খান ফিস নামের একটি আড়তে মাছগুলো বিক্রি হয়।

কুয়াকাটা থেকে পূর্ব-দক্ষিণ দিকে ১৫০ কিলোমিটার দূরে গভীর সমুদ্রে মাছগুলো ধরা পড়ে বলে জানান ওই ট্রলারের জেলেরা।

এফবি সাদিয়-২ নামে মাছ ধরা ট্রলারটি গত ৯ জুলাই আলীপুর ঘাট থেকে ২৩ জন জেলে নিয়ে সমুদ্রে মাছ ধরতে যায়। দুই দিন সমুদ্রের বিভিন্ন এলাকায় জাল ফেলে কাঙ্ক্ষিত মাছগুলো ধরা পড়ে।
মাছগুলো আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে আনা হলে তিনটি আকারে আলাদা করা হয়। ৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের মাছ মণ প্রতি ৯৫ হাজার টাকা, ৬০০ গ্রাম থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছ প্রতি মণ ৭০ হাজার টাকা, ৪০০ গ্রাম থেকে ৫০০ গ্রাম ওজনের প্রতি মণ মাছ ৫৬ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

এছাড়াও অন্যান্য বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ১ লাখ ১৭ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। সব মিলিয়ে ৩৯ লাখ ৬০ হাজার ১৪০ টাকার মাছ বিক্রি হয়।

ট্রলারের মাঝি শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘৯ জুলাই আলীপুর ঘাট থেকে ২৩ জন জেলে নিয়ে সমুদ্রে যাই। ফিশিং করতে করতে কুয়াকাটা সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে জাল ফেলে মাছগুলো পেয়েছি। ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞার পরে দফায় দফায় বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়েছি বহুবার। এই বছর প্রথম বেশি পরিমাণে মাছ পেয়েছি। এই মাছ বিক্রি করে আগের লোকসান কিছুটা হলেও কাটিয়ে উঠতে পারবো।’

এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, দীর্ঘদিন নিষেধাজ্ঞা ও বৈরী আবহাওয়ায় জেলেরা লোকসানে জর্জরিত হয়েছেন। কিছুদিন ধরে ভালো পরিমাণ মাছ পেয়েছে। এটা নিষেধাজ্ঞার সুফলও বলা যায়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সামনে বেশ ভালো পরিমাণ মাছ পাওয়া যাবে বলে আশা করা যায়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
© All rights reserved © 2023 digantabangla24.com