শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বেড়াতে এসে শীতলক্ষ্যায় প্রাণ গেল তিনজনের ছুটির দিনেও চলছে বিদ্যালয়ে ফ্যান-লাইট, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা বাড়ছে পদ্মার পানি, বন্দি ৫০ হাজার মানুষ, বন্ধ অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনফারেন্সে যোগদানের উদ্দেশ্যে আজ রাতে ঢাকা ত্যাগ করবেন : ডেপুটি স্পীকার শুরু হচ্ছে হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন দুর্গাপুরে যুবদলের উদ্যোগে মাদকবিরোধী মানববন্ধন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি দুর্গাপুরে বিজিবি‘র অভিযানে মাদকসহ ইজিবাইক আটক ব্যাংক থেকে বিনা সুদে ঋণ, পাবেন যারা দুর্গাপুরের শীর্ষ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ছুটির দিনেও চলছে বিদ্যালয়ে ফ্যান-লাইট, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট : শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ০ পঠিত

দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি : নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার মুন্সিপাড়া ভাদুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ থাকার পরও শ্রেণিকক্ষে ফ্যান চলা এবং বারান্দায় একাধিক লাইট জ্বালিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয়টিতে এমন চিত্র দেখা যায়। এ বিষয়ে স্থানীয়রা, ওই স্কুলের ভিডিও ফুটেজ স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে পাঠিয়েছেন

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার ও শনিবার সরকারি ছুটির কারণে উপজেলার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিয়মিত কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মুন্সিপাড়া ভাদুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও বন্ধ ছিল। তবে বিদ্যালয় বন্ধ থাকার পরও কয়েকটি শ্রেণিকক্ষে ফ্যান এবং বারান্দায় বেশ কয়েকটি বৈদ্যুতিক বাতি জ্বলতে দেখা যায়।

বিদ্যালয় বন্ধ থাকা অবস্থায় বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম চালু রাখার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, একদিকে সরকারি ছুটির দিনে বিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষা কার্যক্রম নেই, অন্যদিকে অ-প্রয়োজনে ফ্যান ও লাইট চালু রেখে বিদ্যুতের অপচয় করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা বলেন, “স্কুল বন্ধ থাকলেও রুমে রুমে ফ্যান ও লাইট জ্বলছে। আমাদের এলাকায় অনেক সময় বিদ্যুৎ পাওয়া যায় না। সেখানে বিদ্যালয় বন্ধ থাকার পরও এভাবে বিদ্যুতের অপচয় হওয়া দুঃখজনক। বিষয়টি তদন্ত করে এর জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ফজলুর রহমান বলেন, “বিদ্যালয় বন্ধ থাকা অবস্থায় ফ্যান চলা ও লাইট জ্বলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

বিদ্যালয় বন্ধ থাকা অবস্থায় কেন ফ্যান ও লাইট চালু ছিল এবং এর জন্য কারা দায়ীÑতা তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
© All rights reserved © 2023 digantabangla24.com