দিগন্ত ডেক্স : ধর্ষক পুত্রকে নিজ হাতে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করলেন, পুলিশ পিতা। বুধবার বিকেলে ওই ছেলেকে কোটচাঁদপুর থানায় দেন তিনি। তবে তাকে আটক করেছেন বলে দাবী পুলিশের।
অভিযোগের পেক্ষিতে কোটচাঁদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাজ্জাদ হোসেন ও সহ-উপপরিদর্শক (এএসআই) আনিসুর রহমান ঘটনাস্থলে যান।
জানা যায়, তানভির হাসান (ইন্তি) (২০) ও মুরাদ হোসেনের ফুপাতো ভাই। ইন্তির বিরুদ্ধে মঙ্গলবার (২৫-০৪-২৪) রাতে ৫ম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে কোটচাঁদপুর থানায় ধর্ষণের অভিযোগ করেন।
ওই অভিযোগের পেক্ষিতে কোটচাঁদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাজ্জাদ হোসেন ও সহ-উপপরিদর্শক (এএসআই) আনিসুর রহমান ঘটনাস্থলে যান।
এ সময় ইন্তি ঘরের দরজা দিয়ে ভিতরে ছিল। তারা অভিযুক্ত কে ধরতে গভীর রাত পর্যন্ত চেষ্টা করেন।
ব্যর্থ হয়ে ওই রাতে ঘরের বাইরে থেকে পুলিশ তালা লাগিয়ে থানায় ফিরে যান।
পরে সে তাঁর মামাত ভাই মুরাদ হোসেনের সহায়তায় ঘরের তালা ভেঙ্গে পালিয়ে যায়। পরের দিন বুধবার সকালে তাকে ধরতে গিয়ে, না পেয়ে মুরাদকে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। এবং ওই ঘটনায় অভিযুক্তকে থানায় হাজিরের জন্য বলেন বলে জানা যায়।
এর পেক্ষিতে বুধবার বিকেলে ইন্তিকে কোটচাঁদপুর থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন, তাঁর পিতা পুলিশের সহ উপপরিদর্শক (এএসআই) নাজমুল ইসলাম (মুন্না)।
তবে তাকে আটক করা হয়েছে এমন দাবি করছেন কোটচাঁদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেনপুলিশ। তিনি বলেন, বুধবার তাকে কোটচাঁদপুর বগ চত্বর থেকে আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে তাদেরকে ঝিনাইদহ আদালতে নেয়া হয়। এরপর আসামির ২২ ধারা করা হয়েছে। ডাক্তারি পরিক্ষা সম্পন্নও হয়েছে ওই মেয়ের। আদালত ওই মেয়েকে তাঁর বাবার জিম্মায় দিয়েছেন।
Leave a Reply