শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন

এই মাত্র পাওয়া

দুর্গাপুর মুক্ত দিবস পালিত

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট : শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩২০ পঠিত

দুর্গাপুর(নেত্রকোণা)প্রতিনিধি : ৬ ডিসেম্বর দুর্গাপুর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সনের এই দিনে বাংলার দামাল ছেলেদের এক রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে নেত্রকোণার সীমান্তবর্তী দুর্গাপুর উপজেলাকে মুক্ত করেছিলেন। এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং সুসঙ্গ সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ সহ সর্বস্তরের অংশগ্রহনে নানা কর্মসুচীর মাধ্যমে এ দিবস পালিত হয়।

এ উপলক্ষে সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে সর্বস্তরের অংশগ্রহনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে পায়রা উড়িয়ে দিবসের সুচনা করা হয়। পরবর্তিতে এক বর্নাঢ্য র‌্যালি পৌরশহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বৃক্ষরোপন এবং উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজা আফসানা এর সভাপতিত্বে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মুহাম্মদ নাসির উদ্দিন‘র সঞ্চালনায় পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ শেষে অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বিকাশ সরকার, সাখাওয়াত হোসেন সজিব, কবি লোকান্ত শাওন, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন তালুকদার, সাংবাদিক সজিম সাইন, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ, সিপিবি সভাপতি আলকাছ উদ্দীন মীর, উপজেলা বিএনপি‘র সহ:সভাপতি, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এডভোকেট এম এ জিন্নাহ্ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীগণ।

বক্তারা বলেন, পাকিস্তানি মেজর সুলতানের নেতৃত্বে বিরিশিরিতে একটি শক্তিশালী পাকসেনা ঘাঁটি গড়ে উঠেছিল। এখান থেকেই বাংলার কুখ্যাত দালাল, আলবদর, রাজাকারদের সহযোগিতায় নিয়ন্ত্রন করতো দুর্গাপুর ও কলমাকান্দার সীমান্ত এলাকা গুলো। সেইসাথে ওই এলাকার বুদ্ধিজীবিদের ধরে এনে রাতের আঁধারে বিরিশিরি‘র বধ্যভূমিতে নৃশংসভাবে হত্যা করা করতো।

এদের মধ্যে সর্বপ্রথম যাদের হত্যা করা হয়েছিল, তাদের মধ্যে নেত্রকোনা সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক শহীদ আরজ আলী, এমকেসিএম পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল আওয়াল, দুর্গাপুরের তদানিন্তন এমএনএ গৌরাঙ্গ চন্দ্র সাহা, কুল্লাগড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আলী হোসেন, শিক্ষক আশুতোষ সান্যাল, কাকৈরগড়া ইউনিয়নের শিক্ষক জালাল উদ্দিন তালুকদার, সমাজসেবক ধীরেন্দ্র নাথ পত্রনবীশ, সুসং ডিগ্রি কলেজের ছাত্র দিলদার হোসেন, বিল্লাল হোসেন, কৃষক ইমাম হোসেন ও ছোট্রনী সহ নাম অজানা অনেককেই। এছাড়া গাঁওকান্দিয়া গ্রামে ১৯ জন মুক্তিযোদ্ধাকে এক সাথে গুলি করে হত্যা করেছিলো পাকসেনারা। নতুন প্রজন্মের কাছে এসকল তথ্যগুলো জানাতে সকলকে অনুরোধ জানানো হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
© All rights reserved © 2023 digantabangla24.com