বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৪:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঋতুপর্ণার বাড়ি নির্মাণে আর্থিক অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপুরে নদীতে গোসলে নেমে যুবকের মৃত্যু ডেপুটি স্পীকারের উদ্দ্যেগ, অসহায় পরিবারে অটোরিকশা প্রদান এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ২০ জুলাই দুর্গাপুরে কৃষক-ক্ষেতমজুরদের বিক্ষোভ সমাবেশ, প্রধানমন্ত্রীর বরাবর স্মারকলিপি সংসদে তোফায়েল-মোশাররফসহ ১৬ মন্ত্রী-এমপির মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব ১৮৬ বছরের পুরনো লাইব্রেরীর জায়গা উদ্ধারে দুর্গাপুরে মানববন্ধন ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক দুর্গাপুর সীমান্ত দিয়ে কিশোরীকে ভারতে পাচার কালে, বিজিবির হাতে আটক হাম ও উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু

পানির নিচে বান্দরবান, খোলা হয়েছে ২ শতাধিক আশ্রয়কেন্দ্র

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৮ আগস্ট, ২০২৩
  • ২৩৩ পঠিত

দিগন্ত ডেক্স : গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ২৬৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বান্দরবানে। এতে পানিতে তলিয়ে গেছে পার্বত্য জেলাটি। বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে অনেক এলাকা। ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো মানুষ। পরিস্থিতি সামাল দিতে জেলায় দুই শতাধিক আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৪৬টি, লামায় ৫৫টি, নাইক্ষ্যংছড়িতে ৪৫টি, রুমায় ২১টি, রোয়াংছড়িতে ১৯টি, আলীকদমে ১৫টি, থানচিতে ৬টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

জানা গেছে, বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় বান্দরবান সদর, রুমা, আলীকদমসহ জেলার বেশিরভাগ এলাকা বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন রয়েছে। মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় যোগাযোগব্যবস্থা অচল হয়ে পড়েছে। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টিতে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। প্রাণ বাঁচাতে অনেকে সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, জেলার প্রধান দুটি পাহাড়ি নদী সাঙ্গু ও মাতামুহুরির ন্যাব্যতা কমে যাওয়া এবং এই নদীর তীরবর্তী এলাকা ঘিরে গড়ে ওঠা প্রধান শহর, উপজেলা শহর এবং জনবসতিপূর্ণ গ্রামগুলো অল্প বৃষ্টিতেই পানিতে তলিয়ে যায়। জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে দুর্ভোগের শিকার হতে হয়।

লামার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তফা জাবেদ কায়সার বলেন, টানা বৃষ্টিতে সময় যত গড়াচ্ছে, পরিস্থিতি ততই খারাপ হচ্ছে। লামায় এরই মধ্যে ৫৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৬০০ থেকে ৭০০ মানুষকে নিয়ে আসা হয়েছে। কিন্তু নিচু এলাকায় স্রোতের কারণে মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসার কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

তিনি বলেন, আলীকদম-লামা হয়ে কক্সবাজারের চকরিয়া পর্যন্ত সড়কে বিভিন্ন জায়গায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। ফলে ওইসব এলাকায় যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

আগামী তিন দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ঢাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৫৪ মিলিমিটার।

আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি থেকে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারাদেশের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে।

এদিকে চট্টগ্রাম ও বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। ফলে অনেক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় এ দুই জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
© All rights reserved © 2023 digantabangla24.com