বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৫ হাজার তরুণকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হবে ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগ : দুর্গাপুরে খেলার মাঠ সংস্কার ও গোলবার স্থাপন ৬ দফা দাবিতে কলমাকান্দায় শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের ইউএনও কার্যালয় ঘেরাও অনুমোদন পেল ইলেকট্রিক ট্রেন প্রকল্প দুর্গাপুরে পার্টনার ফার্মার্স ফিল্ড স্কুলের মাধ্যমে, আধুনিক কৃষিতে এগিয়ে যাচ্ছে কৃষক স্থানীয় সরকার নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু : ইসি মাদকমুক্ত সমাজ গঠন ও যুবকদের খেলার মাঠে ফেরাতে : ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ ডেপুটি স্পিকারের উদ্দ্যেগ : সোমেশ্বরী নদীতে দু‘টি সেতু নির্মানে এলাকা পরিদর্শন বেড়াতে এসে শীতলক্ষ্যায় প্রাণ গেল তিনজনের

দুর্গাপুরে অবাদে চলছে পলিথিনের ব্যবহার বন্ধের উদ্যোগ নেই

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ, ২০২৩
  • ৩২২ পঠিত

দুর্গাপুর(নেত্রকোনা)প্রতিনিধি : নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ‘নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার যেনো বেড়েই চলেছে। মুদির দোকান, মাংসের দোকান, কাঁচাবাজার থেকে শুরু করে ফুটপাতের প্রায় সব দোকানের পণ্য বহনে ব্যবহৃত হচ্ছে পলিথিন ব্যাগ। সহজলভ্য ও ব্যবহারে সুবিধা থাকায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই ক্ষতির দিক বিবেচনা না করে অবাধে ব্যবহার করছেন পলিথিন ব্যাগ।

এ নিয়ে মঙ্গলবার সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন ও পৌর শহরের ছোট-বড় বাজারে এখন দেদারছে বিক্রি ও ব্যবহার করা হচ্ছে পলিথিন। পৌরশহরের সব দোকানে দোকানে পলিথিন পৌঁছে দেয় কয়েকজন পলিথিন ব্যবসায়ী। গ্রামের প্রায় প্রতিটি হাট-বাজারে পলিথিন ব্যাগের পাইকারি দোকানও চোখে পড়ে। এদিকে পবিত্র রমজান মাসকে ঘিরে হাট-বাজারে কেনা-বেচা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে পলিথিনের অতিরিক্ত ব্যবহারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহারে যেমন মানবদেহের মারাত্মক ক্ষতি করছে তেমনই পরিবেশের ভারসাম্যও নষ্ট হচ্ছে। এছাড়া জমির উর্বরতা হ্রাস, শহরের ড্রেনের পানি নিষ্কাষণে সমস্যা সহ সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতার। পলিথিন নিয়ে প্রশাসনের তেমন কোনো মাথা ব্যথা নেই বলে মনে করছেন শহরের সচেতন মহল।

এ নিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শহরের এক সবজি বিক্রেতা বলেন, বাজারের বেশ কয়েকটি দোকানেই পাইকারি পলিথিন বিক্রি করা হয়। ছোট-বড় বিভিন্ন সাইজের পলিথিন প্রতি কেজি ২২০ থেকে ২৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়ে থাকে। এছাড়াও কিছু অসাধু পলিথিন ব্যবসায়ী শহরের বিভিন্ন দোকানে দোকানে গিয়ে রাঁতের আঁধারে পৌঁছে দেয়।

বাজারে আসা মো. লতিফ মিয়া বলেন, মাছ কেনার পর মাছ বিক্রেতা পলিথিন দিচ্ছে, আলু কিনছি সেটিতেও পলিথিন, ডিম কিনবেন সেখানেও পলিথিন। পলিথিন ছাড়া কোথাও কোনো উপায় নেই। ফলে আমাদের সেগুলোই ব্যবহার করতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রাজিব-উল-আহসান সাংবাদিকদের জানান, ইতোমধ্যে বাজারে বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। পলিথিন নিয়েও পৃথকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
© All rights reserved © 2023 digantabangla24.com