মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন

মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে ঈদ উদযাপিত

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট : বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬
  • ১০৯ পঠিত

দিগন্ত ডেক্স : সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশির ভাগ দেশে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। ত্যাগের মহিমায় দিনটি উদযাপন করছেন মুসল্লিরা। ঈদ জামাতের পর আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় পশু কোরবানি দিচ্ছেন মুসলিমরা। ভৌগোলিক কারণে সবার আগে ঈদের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে

সৌদি আরব, কুয়েত, ওমান, মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ অনেক দেশে ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় আল-আজহার মসজিদে ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

এ ছাড়া পশ্চিমা দেশগুলোতেও  আজ পালিত হচ্ছে ঈদ। এদিকে ভারতে আগামীকাল বাংলাদেশের সঙ্গে পালিত হবে ঈদ।

এর আগে বুধবার (২৭ মে) ভোরে ১৭ লাখের বেশি মুসলিম হাজি আরাফার ময়দান থেকে মুজদালিফায় পৌঁছান। সেখানে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটান। সেখান থেকে প্রতীকী শয়তানকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপের জন্য নুড়ি পাথর সংগ্রহ করেন। আবার মিনার তাঁবু নগরীতে ফিরে আসেন। 

মিনায় পৌঁছে হাজিরা জামরাত আল-আকাবা নামক সবচেয়ে বড় স্তম্ভটিতে সাতটি করে পাথর নিক্ষেপ করেন। এটি ইসলামের নবী ইব্রাহিম (আ.)-এর ঐতিহাসিক ঐতিহ্যকে স্মরণ করে করা হয়ে থাকে। 

এ সময় মুসলমানদের বড় এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা জানিয়েছে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও রাষ্ট্রদূতরা। পাথর নিক্ষেপ শেষ করার পর হাজিরা পশু কোরবানি সম্পন্ন করবেন। এরপর পুরুষ হাজিরা মাথা মুণ্ডন বা চুল ছোট করবেন এবং নারীরা চুলের কিছু অংশ কাটবেন। এই আচারের মাধ্যমে তারা ইহরামের পবিত্র পোশাক খুলে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবেন (তাহাল্লুল)।

এরপর অনেক হাজি মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে (কাবা শরিফ) গিয়ে সাতবার প্রদক্ষিণ (তাওয়াফ) এবং সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মধ্যে সাঈ করার জন্য রওনা হবেন।

 সৌদি আরবের আনুষ্ঠানিক তথ্য অনুযায়ী, এ বছর মোট ১,৭০৭,৩০১ জন হজযাত্রী হজে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে ১,৫৪৬,৬৫৫ জন এসেছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে এবং বাকি ১৬০,৬৪৬ জন সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ নাগরিক ও বাসিন্দা।

লাখ লাখ হাজির এই বিশাল পদযাত্রা সম্পন্ন হয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষের নিবিড় নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও যাতায়াত সমন্বয়ের মাধ্যমে। আরাফা থেকে মিনা পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটারের এই পথকে বিশ্বের দীর্ঘতম নিয়মিত পদযাত্রার পথ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

হাজিরা পরবর্তী কয়েক দিন (তাশরিকের দিনগুলো) মিনার তাঁবুতেই অবস্থান করবেন এবং বাকি স্তম্ভগুলোতে পাথর মারার আচারটি চালিয়ে যাবেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
© All rights reserved © 2023 digantabangla24.com