Logo
নোটিশ ::
Wellcome to our website...

তৃতীয় ঢেউ’র আশঙ্কায় ডব্লিউওইচও

রিপোর্টারের নাম / ৭৮ বার
আপডেট সময় :: সোমবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২০

দিগন্ত বাংলা ডেক্স : করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এখনও প্রবাহিত। কোন কোন দেশে এখনও সেই ঢেউ পৌঁছায়নি। এরই মধ্যে সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউ-এর আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) এক বিশেষ দূত। এখনই প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে ব্যর্থ হলে ২০২১ সালের শুরুর দিকে ইউরোপজুড়ে তৃতীয় ঢেউ আঘাত হানতে পারে বলে তার আশঙ্কা।

ডব্লিউএইচও’র কোভিড-১৯ বিষয়ক বিশেষ দূত ডেভিড নাবারো সুইজারল্যান্ডের কয়েকটি পত্রিকায় দেওয়া সাক্ষাৎকারে এভাবেই নিজের আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, গরম কালে করোনার জন্য যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার ছিল, ইউরোপ তা নেয়নি। গরমে করোনার প্রভাব সামান্য কমতেই মানুষ সমস্ত নিয়ম মানা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। সকলে রাস্তাঘাটে বেরিয়ে পড়েছিলেন। নিরাপদ দূরত্ব মানা, মাস্ক ব্যবহার করার মতো নিয়মগুলি কেউ সে ভাবে মানেননি। তারই খেসারত দিতে হচ্ছে এখন। ঠান্ডা পড়তেই ফের সংক্রমণ শুরু হয়েছে। এখনো কড়া ব্যবস্থা না নিলে আগামী বছরের গোড়ায় পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন নাবারো।

তবে এ ক্ষেত্রেই এশিয়ার প্রশংসা করে তিনি বলেন, এশিয়ার অধিকাংশ দেশে গরমের সময়েও করোনা বিধির প্রাথমিক বিষয়গুলো মেনে চলা হয়েছে। অর্থনীতির জন্য লকডাউন তুলে দিলেও মানুষ অধিকাংশ জায়গায় সতর্ক ভাবে চলাফেরা করেছেন। নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখেছেন। ফলে শীতেও সংক্রমণের মাত্রা যথেষ্ট কম। উদাহরণ হিসেবে জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কথা বলেছেন তিনি।

ভারত এবং পাকিস্তানে অবশ্য শীত পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই সংক্রমণের পরিমাণ লাফিয়ে বেড়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বক্তব্য, পাটিগণিতের হিসেবে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পায় না। লাফিয়ে বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ, প্রথম সপ্তাহে যদি সংক্রমণের হার আট গুণ বাড়ে, তা হলে দ্বিতীয় সপ্তাহে তা বাড়বে ৪০ গুণ। তৃতীয় সপ্তাহে ৩০০ গুণ। চতুর্থ সপ্তাহে হাজার গুণ। এটাই করোনার বৈশিষ্ট্য। ইউরোপ এই বিষয়টি বুঝতে না পারলে আগামী কয়েক মাসে সমস্যা বাড়বে।

একদিকে যখন তৃতীয় ঢেউয়ের সতর্কতা জারি করা হচ্ছে, তখন বিভিন্ন দেশে ভ্যাকসিন নিয়ে আলোচনা চলছে। আমেরিকা জানিয়েছে, সব ঠিক থাকলে ১১ ডিসেম্বর থেকে ভ্যাকসিন দেওয়া চালু হতে পারে। প্রথমে বয়স্ক, অসুস্থ এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের ভ্যাকসিন দেওয়া হতে পারে। ইউরোপেও জানুয়ারির মধ্যে ভ্যাকসিন দেওয়া চালু হতে পারে। ভারত জানিয়েছে, দেশে তৈরি ভ্যাকসিন আগামী দুই মাসের মধ্যে বাজারে আনা সম্ভব। প্রতিটি ভ্যাকসিনেরই শেষ পর্যায়ের চূড়ান্ত পরীক্ষা চলছে। সূত্র: ডিডব্লিউ, রয়টার্স


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

Theme Created By ThemesDealer.Com