Logo
নোটিশ ::
Wellcome to our website...

দুর্গাপুরে অনুমোদনহীন ডায়াগনোষ্টিক সেন্টারে সয়লাব

রিপোর্টারের নাম / ১৩৯ বার
আপডেট সময় :: শনিবার, ২১ আগস্ট, ২০২১

দুর্গাপুর(নেত্রকোনা)প্রতিনিধি : নেত্রকোনার দুর্গাপুরে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ও শহরের আনাচে-কানাচে গড়ে ওঠেছে অনুমোতিবিহীন ডায়াগনোষ্টিক সেন্টার। বিভিন্ন এলাকার এক শ্রেণির অসাধু ক্লিনিক ব্যবসায়ীর ইশারায় প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই চালাচ্ছে এ ধরনে ব্যবস্থা।

এ নিয়ে শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে, যেখানে-সেখানে গড়ে ওঠা ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলো মল-মুত্র পরীক্ষা থেকে শুরু করে এই ব্যবসা চলছে দেদারছে। সরকারি কোন তদারকি না থাকায় এক শ্রেণির অসাধু ক্লিনিক মালিক, ভুয়া ডাক্তার ও দালাল চক্রের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা সহজ-সরল রোগী ও তার পরিবারদের ঠকিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। পৌর শহরে সব মিলিয়ে ৩০-৩২টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার থাকলেও প্রশ্ন থাকছে অনুমোতি রয়েছে কোন গুলোর। কয়েকটির লাইসেন্স থাকলেও নাই কোন নিজস্ব ডাক্তার ও বিদ্যুৎ এর সু-ব্যবস্থা। কোন কোন ক্লিনিকে বাহিরের ডাক্তার দিয়ে গাইনী অপারেশনও করাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। কয়েকটি ক্লিনিকে সহযোগী ডাক্তারই খোদ অপারেশন চালিয়ে যাচ্ছেন। খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, অনেক ক্লিনিকের পৌরসভার ট্রেডলাইসেন্স পর্যন্ত নেই। এদের বিরুদ্ধে সিভিল সার্জনের দেখভাল সহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে গেলেই রাজনৈতিক, প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপ সহ বিভিন্ন তদবিরের কারণে অসহায় হয়ে পড়েন ঔষধ প্রশাসন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ক্লিনিকে দায়িত্বরত প্যাথলজিস্ট বলেন, আমাদের নিজস্ব কোন ডাক্তার নাই, আমাদের এখানে রোগি আসার পর ময়মনসিংহ থেকে ডাক্তার আসতে বলি অপারেশন করানোর জন্য। প্যাথলজি খোলা থাকে, রোগি আসলেই টেস্ট করাই। লাইসেন্স’র বিষয়ে তিনি বলেন, এখনো লাইসেন্স পাইনি, দু‘এক মাসের মধ্যেই পেয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। লাইসেন্সবিহীন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক চালানোর বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান। ওই ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারই নয় শহরের অলি-গলিতে গড়ে উঠেছে লাইসেন্সবিহীন অসংখ্য ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। কেউ ডাক্তার না, তারপরেও ডাক্তারের সাইনবোর্ড লাগিয়ে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে সাধারণ রোগীদের জীবন-মৃত্যু নিয়ে সেবার নামে চালাচ্ছেন এই ব্যবসা।

এক্স-রে করতে আসা এক রোগি জানান, দুর্গাপুর হাসপাতালের এক্স-রে মেশিন দীর্ঘদিন ধরে বিকল, তাই বাধ্য হয়েই বাহির থেকে দ্বিগুন দামে এক্স-রে করিয়েছি। এছাড়া প্রশাসনের নজরদারী না থাকায় মল-মুত্র, ইসিজি, আলট্রাসনোগ্রাম সহ নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষায় আমাদের কাছ থেকে ইচ্ছে মতো টাকা আদায় করে নিচ্ছে।

ডায়াগনোস্টিক সেন্টার গুলোর লাইসেন্স নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডা. মো. মামুনুর রহমান যুগান্তর কে বলেন, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ইতোমধ্যে অনুমোদন নাই এমন সেন্টার গুলোর তালিকা তৈরী করা হয়েছে। এখানে নামে বেনামে অনেক ক্লিনিক রয়েছে, কেউ কেউ লাইসেন্সের জন্য আবেদনও করেছে, আবার অনেক গুলো আবেদন করেনি। লাইসেন্স পাওয়ার জন্য যে দিক নির্দেশনা রয়েছে, তা অনেক গুলোরই নেই। অচিরেই এর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

Theme Created By ThemesDealer.Com