শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনুদানের আবেদন শুরু “বেগম খালেদা জিয়া মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে সর্বপ্রথম মহিলাবন্দী ছিলেন” – ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জোটে নয়, এককভাবে নির্বাচন করবে ইসলামী আন্দোলন বিএনপি ক্ষমতায় গেলে, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করবে ফেব্রুয়ারিতে দুই দফায় মিলবে ৬ দিনের ছুটি ভোটের মাঠে আগে-পরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী থাকবে ৭ দিন বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় দুর্গাপুরে দোয়া মাহফিল বিএনপি সব সময় আলেম ওলামাদের ঢাল হিসেবে রয়েছে -ব্যারিস্টার কায়সার কামাল পল্লবীতে বিদেশি অস্ত্রসহ চার সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার ভারতীয় ব্যাটালিয়ন পুলিশের হাতে বাংলাদেশি ছয় চোরাকারবারি আটক

এই মাত্র পাওয়া

আরও তিন পণ্য জিআই অনুমোদন পেল

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ১৯৯ পঠিত

দিগন্ত ডেক্স : শিল্প মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) হিসেবে আরও তিনটি পণ্যকে অনুমোদন দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শিল্প মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পণ্য তিনটি হলো- যশোরের খেজুরের গুড়, রাজশাহীর মিষ্টি পান এবং জামালপুরের নকশি কাঁথা। এ তিনটি পণ্যকে জিআই অনুমোদন দিয়ে জার্নাল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বাংলাদেশের অনুমোদিত জিআই পণ্যের সংখ্যা ৩১টিতে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়।

২০১৬ সালে জামদানি শাড়িকে বাংলাদেশে প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। এরপর স্বীকৃতি পায় আরও ২০টি পণ্য। সেগুলো হলো- বাংলাদেশ ইলিশ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম, বিজয়পুরের সাদা মাটি, দিনাজপুর কাটারীভোগ, কালিজিরা, রংপুরের শতরঞ্জি, রাজশাহী সিল্ক, ঢাকাই মসলিন, রাজশাহী-চাপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, বাংলাদেশের বাগদা চিংড়ি, বাংলাদেশের শীতল পাটি, বগুড়ার দই, শেরপুরের তুলশীমালা ধান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই ও কুষ্টিয়ার তিলের খাজা। সবশেষ গত সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রংপুরের হাড়িভাঙ্গা আম, মৌলভীবাজারের আগর ও আতর এবং মুক্তগাছার মণ্ডা এই চার পণ্যকে জিআই স্বীকৃতি দেয়া হয়। এর একদিন আগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তিনটি পণ্যের জিআই সনদ হস্তান্তর করেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। পণ্য তিনটি হলো- টাঙ্গাইল শাড়ি, নরসিংদীর অমৃত সাগর কলা ও গোপালগঞ্জের রসগোল্লা।

আন্তর্জাতিক মেধাস্বত্ববিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল প্রপার্টি রাইটস অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউআইপিও) নিয়ম মেনে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে ডিপিডিটি জিআই পণ্যের স্বীকৃতি ও সনদ দিয়ে থাকে। ২০১৩ সালে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন হয়। ২০১৫ সালে আইনের বিধিমালা তৈরির পর জিআই পণ্যের নিবন্ধন নিতে আহ্বান জানায় ডিপিডিটি। এর পর বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো জিআই পণ্য হিসেবে ২০১৬ সালে স্বীকৃতি পায় জামদানি শাড়ি। জিআই স্বীকৃতি পাওয়া পণ্যগুলো বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্য হিসেবে বিশ্বে পরিচিতি পাবে। কোনো দেশের মাটি, পানি, আবহাওয়া ও মানুষের সৃজনশীলতা মিলে কোনো পণ্য তৈরি হলে তাকে বলা হয় সেই দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য। শুধু বাংলাদেশেই উৎপাদিত হয় এমন ৩১টি পণ্য এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মেধাস্বত্ব কর্তৃপক্ষ থেকে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
© All rights reserved © 2023 digantabangla24.com