শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনুদানের আবেদন শুরু “বেগম খালেদা জিয়া মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে সর্বপ্রথম মহিলাবন্দী ছিলেন” – ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জোটে নয়, এককভাবে নির্বাচন করবে ইসলামী আন্দোলন বিএনপি ক্ষমতায় গেলে, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করবে ফেব্রুয়ারিতে দুই দফায় মিলবে ৬ দিনের ছুটি ভোটের মাঠে আগে-পরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী থাকবে ৭ দিন বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় দুর্গাপুরে দোয়া মাহফিল বিএনপি সব সময় আলেম ওলামাদের ঢাল হিসেবে রয়েছে -ব্যারিস্টার কায়সার কামাল পল্লবীতে বিদেশি অস্ত্রসহ চার সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার ভারতীয় ব্যাটালিয়ন পুলিশের হাতে বাংলাদেশি ছয় চোরাকারবারি আটক

এই মাত্র পাওয়া

সীতাকুন্ডে নিহতের ছবি নিয়ে মরদেহ দেখার অপেক্ষায় শিশু ত্রাণফি

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট : রবিবার, ৫ মার্চ, ২০২৩
  • ২৮৮ পঠিত

কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি : সাত বছরের শিশু ত্রাণফি তার বাবার ছবি বুকে নিয়ে  অপেক্ষা করছে। কখন তার বাবা বাড়িতে আসবে। মা বলে ডেকে কোলে নিবেন। বাবা মারা গেছেন বাড়ির লোকজন বুঝানোর চেষ্ঠা করলেও ত্রাণফি কিছুতেই তা মানতে রাজি না। সে বার বার বলছে আজ (রোববার) তার বাবা বাড়িতে আসবে। স্বামীর লাশের অপেক্ষায় রয়েছেন স্ত্রী কাজলী ঘাগ্রা (৩৮), আর বাবার মরদেহের অপেক্ষায় ছেলে প্রীতম ঘাগ্রা (১৯), প্রতীক ঘাগ্রা (১৫) ও প্রতীম ঘাগ্রা (১২)।

গত শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে চট্রগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলার কদমরসুল ইউনিয়নের ছোটকুমিরা এলাকায় সীমা অক্সিজেন প্লান্টে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর আগুন লেগে যায়। এ দুর্ঘটনায় নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার রংছাতি ইউনিয়নের ছোট মনগড়া গ্রামের রতন নকরেক (৪৫) নামে শ্রমিক নিহত হয়। তার বাবার নাম ক্ষিতিশ রংদী।

আজ বোববার দুপুরে সরেজমিন দেখা যায়, বাড়িতে কিছু আত্মীয়স্বজন বসে আছেন। কেউ কাঁদছেন, কেউ সান্ত¡না দিচ্ছেন। তখনো রতনের মরদেহ বাড়িতে এসে পৌঁছেনি। স্বামী হারানোর শোকে স্ত্রী কাজলী ঘাগ্রার আহাজারিতে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহতের বোন প্রীতিলতা নকরেক বলেন,  প্রায় ২৪ বছর ধরে রতন এই অক্সিজেন প্লান্টে শ্রমিকের কাজ করছিল। গত সপ্তাহে সে চাকুরী ছেড়ে দিয়েছিল। পাঁচদিন পর আবারও সে ওই অক্সিজেন প্লান্টেই চাকুরি নেন। এই চাকুরেই যেন তার কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। রতন ছাড়া তার পবিবারে আর কেউ উপর্জন করেন না। সে শ্রমিকের কাজ করে যা পায় তাই দিয়ে পরিবারের সংসারসহ সন্তানদের লেখাপাড়ার খরচ চলে। সে মারা যাওয়ায় তার সন্তানদের লেখাপড়া অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। তার বড় ছেলে প্রীতম এবার এইচএসসি পাশ করেছে, প্রতীক এসএসসি পরীক্ষার্থী, প্রতীম সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ও মেয়ে ত্রাণফি ২য় শ্রেণিতে পড়ে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
© All rights reserved © 2023 digantabangla24.com