Logo
নোটিশ ::
Wellcome to our website...

স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে জবাই, মারা গেলেন হত্যাকারীও

রিপোর্টারের নাম / ২১১ বার
আপডেট সময় :: বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২১, ২:৪২ অপরাহ্ন

দিগন্ত ডেক্স : প্রেমঘটিত কারণে স্কুলছাত্রী সুমাইয়া‌ আক্তার‌ (১৬) হত্যাকাণ্ডের পর নিজেকেও ছুরি আঘাত করে আত্মহত্যার ঘটনায় প্রেমে ব্যর্থ হওয়া হত্যাকারী কিশোর মনির হোসেন (১৭) অবশেষে মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মনিরের খালা রোজিনা বেগম এ বিষয়টি সত্যতা নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনির মারা গেছে। লাশ মর্গে নেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে বাড়িতে নেওয়া হবে।

এরআগে গত বুধবার (২৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে টাঙ্গাইলের কালিহাতী এলেঙ্গা-ভূঞাপুর-বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব আঞ্চলিক সড়কের পাশে এলেঙ্গা পৌরসভার এলেঙ্গা শামসুল হক কলেজের সামনে খোকন নামের এক ব্যক্তির নির্মাণাধীন বিল্ডিংয়ের সিঁড়ি থেকে সুমাইয়ার মর‌দেহ উদ্ধার ক‌রে পু‌লিশ।নিহ‌তের পা‌শেই প‌ড়ে থাকা গুরুতর আহত ম‌নির হো‌সেন‌কে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতা‌লে ভ‌র্তি করেন পুলিশ। এরপর উন্নত চি‌কিৎসার জন্য তা‌কে ঢাকায় পাঠা‌নো হয়।

এরপর বুধবার রাতেই টাঙ্গাইল র‌্যাব-১২ সিপিসি-৩-এর কোম্পানি কমান্ডার লে. আব্দুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, সুমাইয়াকে হত্যার পর মনির আত্মহত্যার চেষ্টা করে। সে উপজেলার মশাজান গ্রামের মেহের আলীর ছেলে। সুমাইয়ার বাড়ি উপজেলার পালিমা গ্রামে। সে এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তারা এলেঙ্গা কলেজ মোড় এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছিল।

তিনি আরও জানান, সুমাইয়ার সঙ্গে মনিরের ২ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। গত দুই মাস আগে সুমাইয়া মনিরকে বাদ দিয়ে অন্য এক ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি মনির সহ্য করতে পারছিল না। সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে মনির সুমাইয়াকে মারধর করে। কোচিংয়ে যাওয়ার সময় সুমাইয়াকে একটি ভবনের নিচতলায় ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করে মনির।

প্রসঙ্গত প্রকাশ, গত বুধবার (২৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে টাঙ্গাইলের কালিহাতী এলেঙ্গা-ভূঞাপুর-বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব আঞ্চলিক সড়কের পাশে এলেঙ্গা পৌরসভার এলেঙ্গা শামসুল হক কলেজের সামনে খোকন নামের এক ব্যক্তির নির্মাণাধীন বিল্ডিংয়ের সিঁড়িতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরে আহত কিশোর মনিরকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন পুলিশ সদস্যরা। পরে উন্নত চিকিৎসারর জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

স্কুলছাত্রী সুমাইয়া উপজেলার পালিমা গ্রামের ফেরদৌস রহমানের মেয়ে। তিনি উপজেলার এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্রী। স্কুলছাত্রীর পরিবার এলেঙ্গা রিসোর্টের পাশে একটি ভাড়া বাসায় থাকতো। আহত ম‌নির পরিবহন শ্রমিক হিসেবে কাজ করতো। এদিকে, আহত মনির হোসেন (১৭) একই উপজেলার মশাজান গ্রামের মেহের আলীর ছেলে। স্থানীয়রা জানান, সুমাইয়া সকালে বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী প্রাইম কোচিং সেন্টারে যাওয়ার জন্য বের হয়। এ সময় তার পিছু নেয় ছিল মনির নামে কিশোর। তাদের ধারণা মনিরের সঙ্গে স্কুলছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর

Theme Created By ThemesDealer.Com