Logo
নোটিশ ::
Wellcome to our website...

বাঙ্গীতে ও তরমুজে লাভবান গুরুদাসপুরের কৃষক

রিপোর্টারের নাম / ১৬০ বার
আপডেট সময় :: বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২১, ১০:১৪ পূর্বাহ্ন

মো. আখলাকুজ্জামান, গুরুদাসপুর (নাটোর) থেকে: গাছের সবুজ পাতার আড়ালে ধরে থাকা বাঙ্গি, তরমুজ ও মিষ্টি কুমড়া যেন এক অপরুপ দৃশ্য ধারন করেছে। মাঠের ফসল রক্ষায় পরিচর্যার ব্যস্ত কৃষকরা। ইতিমধ্যে কৃষকরা জমি থেকে উপযুক্ত সাথী ফসল তুলতে এবং বাজারজাতকরন শুরু করেছেন। নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার ধারাবারিষা, চরকাদহ, শিধুলী, পাঁচশিশা, নাড়িবাড়ি, সোনাবাজু, হাজিরহাট, তালবাড়িয়া ও নয়াবাজার বিশ্বরোড সংলগ্ন সবুজ বিস্তীর্ণ মাঠের দিকে তাকালেই মিষ্টি কুমড়া, বাঙ্গি ও তরমুজের দেখা মিলে।

শষ্য ভান্ডার খ্যাত এ অ লে গত কয়েক বছরের তুলনায় রসুনের সাথী ফসলের রেকর্ড পরিমাণ আবাদ হয়েছে। প্রতিদিন অন্তত ৫০টি গাড়ি বাঙ্গি, তরমুজ ও মিষ্টি কুমড়া লোড করে দেশের বিভিন্ন অ লে সরবরাহ করা হচ্ছে। গতবছর বিঘাপ্রতি ৪০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা বিক্রি করলেও এবছর ৮০ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে এই সাথী ফসল। এখানকার বাঙ্গি ও তরমুজ ক্রয় করতে বাইরে থেকে আসছেন অনেক বেপারী।

উপজেলা কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, এবছর গুরুদাসপুরে বাঙ্গি ৭২০ হেক্টর, তরমুজ ৫৫৫ হেক্টর ও মিষ্টি কুমড়া ২৫ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। খরায় ফসলের ফলন ভাল হওয়ায় বাঙ্গিতে ২২ হাজার মেট্রিক টন, তরমুজ ২৩ হাজার মেট্রিক টন ও মিষ্টি কুমড়ায় ১৭৫ মেট্রিক টন উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারন ধরা হয়েছে।

সোনাবাজু গ্রামের কৃষক মোতাহার, বজলুর রশিদ ও পৌর কাউন্সিলর শেখ সবুজ জানান, রসুনের গাছ বড় হওয়ার পর গাছের ফাঁকে ফাঁকে বাঙ্গি, তরমুজ ও মিষ্টি কুমড়ার বীজ লাগাতে হয়। এ ফসলের জন্য বাড়তি সার ও কীটনাশক লাগে না। এবছর বাঙ্গি ও তরমুজের ফলন ভাল হয়েছে। বাঙ্গী তুলতে শ্রমিকদের ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত মজুরি দিতে হচ্ছে। তবে রমজান মাসে বাজারে এসব ফলের চাহিদা থাকায় দামও ভাল পাচ্ছি। তাতে রসুনের চাষে লোকসান হলেও এসব সাথী ফসলে আমরা লাভবান হচ্ছি।

বেপারিরা জানান, দেশজুড়ে এফসলের সুনাম থাকায় আমরা প্রতিবছরই এখানে আসি। কিন্তু এবছর করোনা, লকডাউন ও গাড়ি ভাড়া বেশি হওয়ায় মাল কিনে পরতা হচ্ছেনা। তবে রমজানে কারণে কিছুটা দাম পাচ্ছি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হারুনর রশিদ জানান, আবহাওয়া অনুক‚লে থাকায় গুরুদাসপুরে এবছর সাথী ফসলের বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে দাম বেশি পাওয়ায় আগামী বছরে কৃষকরা সাথী সফল আবাদে আগ্রহী হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

Theme Created By ThemesDealer.Com