Logo
নোটিশ ::
Wellcome to our website...

দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদীর গর্ভে যেতে বসেছে এক জনপদ

রিপোর্টারের নাম / ৯৭ বার
আপডেট সময় :: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২০

দুর্গাপুর(নেত্রকোনা)প্রতিনিধি : বেরিবাঁধ না থাকায় ভাঙন আতংকে দিন পার করছে নেত্রকোণার দুর্গাপুর পৌরসভার শিবগঞ্জ-ডাকুমারা এলাকার হাজারো বাসিন্দা। ইতোমধ্য নদীর ভাঙ্গনে বিলিন হতে চলেছে এই এলাকার নানা স্থাপনা। নতুন করে হুমকির মুখে রয়েছে মসজিদ, মন্দিরসহ ঐহিত্যবাহী শিবগঞ্জ বাজার। ভাঙ্গন রোধে দ্রæত ওই এলাকায় স্থায়ী বেরিবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিছেন স্থানীয়রা।

এ নিয়ে বুধবার সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, জেলার দুর্গাপুর উপজেলার পাহাড়ী নদী সোমেশ্বরী। শুকনো মৌসুমে নদীতে পানি না থাকলেও বর্ষায় এ নদী ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। প্রতি বছরই পাহাড়ী ঢলে নিম্ন এলাকা প্লাবিত হয়। ১৯৯১ সালে থেকে এ অঞ্চলে শুরু হয় নদী ভাঙ্গনের তীব্রতা। আর তখন থেকেই নদী গর্ভে বিলীন হতে থাকে এই এলাকার বসতবাড়ি থেকে শুরু করে নানা স্থাপনা। এ ভাঙ্গন রোধে ২০১০ সালে ডাকুমারা এলাকার কিছু অংশে স্থায়ী বেরিবাঁধ নির্মাণ করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় ছিলো অনেক কম।

স্থানীয় বাসিন্দা মিজান মুন্সী জানায়, ইতোমধ্যে এমপি মানু মজুমদার ও কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ এর নির্বাহী সদস্য রেমন্ড আরেং, ইউএনও ফারজানা খানম অত্র এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় প্রদক্ষেপ নিবেন বলে কথাও দিয়েছেন। এই নদী সারা বছর শান্ত থাকলেও বর্ষায় সোমেশ্বরী নদীর পাহাড়ী ঢল পদ্মা-মেঘনার মত ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। তখন পানির চাপে দুপাড়ের তীর ভাঙ্গা শুরু হয়। নদীর ভাঙ্গনে অত্র এলাকার কয়েক শতাধিক মানুষের বাড়ীঘর নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী বেধিবাধের ব্যবস্থা না করা গেলে সবকিছুই নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।

শিবগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ি তফাজ্জল মিয়া বলেন, এই নদীর তীবৃতার কাছে সব কিছুই তুচ্ছ। ঝুঁকিতে থাকা প্রায় ২কিলোমিটার এলাকায় স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ করতে হবে। এখন একটু একটু করে ভেঙে যাচ্ছে পুরো এলাকা। এ বছরও নতুন করে আবারো নদী ভাঙ্গন আতংকে হুমকির মুখে রয়েছে এই এলাকার প্রাচীন মসজিদ, মন্দির সহ ঐহিত্যবাহী শিবগঞ্জ ও কামারখালী বাজার। ইতোমধ্যে ওই বাজারের শতবর্ষি বটবৃক্ষ নদীগর্ভে চলে গিয়েছে। পুনরায় নদীতে ঢল আসলে পুরো বাজারটাই নদী গর্ভে চলে যাবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নেত্রকোনা জেলার উপ-প্রকৌশলী মোঃ রহিদুল হোসেন খান এ প্রতিনিধি কে জানান, অল্প দিনের ব্যবধানে অত্র এলাকায় পর পর বন্যা হওয়ায় পানির চাপে বেশ কিছু এলাকা ভেঙে গেছে। অত্র এলাকায় স্থায়ীবাঁধ নির্মানের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা খানম বলেন, ইতোমধ্যে বেড়িবাঁধ সংস্কারের জন্য কিছু বরাদ্দ এসেছে। এ দিয়ে দুর্গাপুর ও গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নে কাজ করা হচ্ছে। শিবগঞ্জ-ডাকুমারা এলাকার মসজিদ, মন্দিরসহ সকল স্থাপনা রক্ষায় স্থায়ী বাঁধ নির্মানের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

Theme Created By ThemesDealer.Com