Logo
নোটিশ ::
Wellcome to our website...

ডাবের স্বচ্ছপানির উপকারিতা ও অপকারিতা

রিপোর্টারের নাম / ৬০ বার
আপডেট সময় :: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০

দিগন্ত ডেক্স : ডাবের পানিকে বিবেচনা করো হয় একটি অসাধারণ পানি হিসেবে। ডাবের স্বচ্ছপানি পানীয় হিসেবে অত্যন্ত সুস্বাদু। শুধু অসুস্থতায় নয়, সুস্থ ব্যক্তিকেও ডাবের পানি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ত্বক সুন্দর রাখার পাশাপাশি সুস্বাদু ডাবের পানিতে ক্লান্তি কাটানোর রসদও লুকানো আছে। তবে সুমিষ্ট এই পানি সব সময় উপকারী না হয়ে অপকারের কারণও হতে পারে।

প্রতি ১০০ গ্রাম ডাবের পানিতে জলীয় অংশ ৯৫ গ্রাম, মোট খনিজ পদার্থ ০.৩ গ্রাম, আমিষ ২.৩ গ্রাম, শর্করা ২.৪ গ্রাম, চর্বি ০.১ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৫ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ০.০১ মিলিগ্রাম, আয়রন ০.১ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি ১-০.১১ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি২ ০.০২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ৫ মিলিগ্রাম ও খাদ্যশক্তি ২৩ কিলোক্যালরি ৷ আসুন জেনে নেই ডাবের পানির কিছুর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে-

ডাবের পানির উপকারিতা : ডায়রিয়া বা কলেরায় আক্রান্ত রোগীদের ঘন ঘন পাতলা পায়খানা বা বমি হলে দেহে প্রচুর পানি ও খনিজ লবণের ঘাটতি দেখা দেয়। এই ঘাটতি পূরণে ডাবের পানি বেশ উপকারী। দেহে ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়ামের অভাব হলে চিকিৎসকরা তাই ডাবের পানি পান করার পরামর্শ দেন।

ডাবের পানি রয়েছে সাইটোকিনিস নামে নামে একটি অ্যান্টি-এজিং উপাদান, যা শরীরের উপর বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না।

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা যে মানুষের যত বেশি তিনি তত সুস্থ। ডাবের পানিতে আছে রাইবোফ্লবিন, নিয়াসিন, থিয়ামিন ও পাইরিডোক্সিনের মতো উপকারী উপাদান। এই পানি নিয়মিত পান করলে তাই শরীর থাকে সুস্থ।

 ডাবের পানিতে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড ও ডায়াটারি ফাইবার ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ডাবের পানিতে আছে খনিজ লবণ, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস। এসব খনিজ লবণ দাঁতের ঔজ্জ্বল্য বাড়ায়। দাঁতের মাড়িকে করে মজবুত ও শক্ত।

মুখে জলবসন্তের দাগসহ বিভিন্ন ছোটছোট দাগের জন্য সকালবেলা ডাবের পানি দিলে দাগ মুছে যায় এবং মুখের লাবণ্য ও উজ্জ্বলতা বাড়ে৷ গ্লুকোজ স্যালাইন হিসেবেও ডাবের পানি ব্যবহৃত হয়৷ ডাবের পানিতে উল্লেখযোগ্য কোনো পুষ্টি না থাকলেও স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী৷

ডাবের পানির অপকারিতা : কিডনি রোগ হলে ডাবের পানি পান করা নিষেধ। কারণ কিডনি অকার্যকর হলে শরীরের অতিরিক্ত পটাশিয়াম দেহ থেকে বের হয় না। ফলে ডাবের পানির পটাশিয়াম ও দেহের পটাশিয়াম একত্রে কিডনি ও হৃদপিণ্ড দুটোই অকার্যকর করে দেয়। এই অবস্থায় রোগীর মৃত্যু অনিবার্য।

যারা ওজন কমাতে চান তাদের ডাবের পানি বেশি না খাওয়াই ভাল। কারণ, ডাবের পানি শরীরে ক্যালরির মাত্রা বাড়ায়। অন্যান্য স্বাস্থ্যকর পানীয় বা ফলের রসের তুলনায় ডাবের পানিতে চিনির পরিমান কম থাকে। তবুও ডাবের পানি খেলে নিমেষে বেড়ে যায় ক্যালরি।

শুনতে অদ্ভুত লাগলেও ডাবের জলে প্রচুর পরিমাণে থাকা সোডিয়াম রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। তাই যাদের রক্তচাপ স্বাভাবিকভাবেই বেশি তাদের ডাবের পানি প্রতিদিন খাওয়া উচিত নয়। তবে সপ্তাহে দু’একদিন খেতেই পারেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

Theme Created By ThemesDealer.Com